লিভার মানুষের শরীরের একটি খুব গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। এটি খাবার হজমে সাহায্য করে, শরীর থেকে ক্ষতিকর পদার্থ বের
করে এবং শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি সংরক্ষণ করে। তাই লিভারে সমস্যা হলে শিশুর স্বাস্থ্যের উপর সরাসরি
প্রভাব পড়তে পারে। শিশুদের লিভারের রোগ খুব বেশি দেখা না গেলেও এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য সমস্যা।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)-এর তথ্য অনুযায়ী, ভাইরাল হেপাটাইটিসসহ বিভিন্ন লিভার রোগ
বিশ্বজুড়ে শিশুদের স্বাস্থ্যের জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। গবেষণায় দেখা যায়, বিশ্বের প্রায়
৩–৫% শিশু কোনো না কোনো লিভার বা হেপাটাইটিসজনিত সমস্যায় আক্রান্ত হতে পারে, বিশেষ করে যেখানে
সংক্রমণ ও পুষ্টির সমস্যা বেশি।
বাংলাদেশেও অনেক সময় শিশুদের জন্ডিস, ক্ষুধামন্দা, পেট ফোলা বা অতিরিক্ত দুর্বলতাকে সাধারণ সমস্যা মনে করা হয়।
কিন্তু এসব লক্ষণ অনেক ক্ষেত্রে লিভারের সমস্যার প্রাথমিক ইঙ্গিত হতে পারে। সময়মতো চিকিৎসা না
নিলে এই সমস্যা জটিল হয়ে যেতে পারে।
তাই অভিভাবকদের জানা জরুরি
শিশুদের লিভারের রোগ কেন হয়, কী কী লক্ষণ দেখা যায় এবং কীভাবে এর চিকিৎসা করা হয়। আপনার
শিশুর জন্ডিস, পেট ফোলা বা ক্ষুধামন্দার মতো লক্ষণ দেখা দিলে, দেরি না করে শিশু বিশেষজ্ঞ
অধ্যাপক ডা. সালাহউদ্দিন মাহমুদ-এর পরামর্শ নিন।
লিভার মানবদেহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। শিশুদের শরীরেও লিভার অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে থাকে। এই কারণে
লিভারে সমস্যা হলে শিশুর শরীরে বিভিন্ন ধরনের জটিলতা দেখা দিতে পারে। লিভারের প্রধান কাজগুলো হলো:
খাবার হজমে সহায়তা করা
শরীরের বিষাক্ত পদার্থ পরিষ্কার করা
পুষ্টি উপাদান সংরক্ষণ করা
শরীরের শক্তি তৈরি করতে সাহায্য করা
রক্ত জমাট বাঁধার জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান তৈরি করা
শিশুদের লিভারের রোগের সাধারণ লক্ষণ সমূহ
শিশুদের লিভারের সমস্যার কিছু লক্ষণ ধীরে ধীরে দেখা যায়। অনেক সময় অভিভাবকরা প্রথমে এগুলো বুঝতে পারেন না। যদি
এসব লক্ষণ দীর্ঘ সময় ধরে দেখা যায়, তাহলে দ্রুত একজন শিশু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। শিশুদের লিভারের
রোগের সাধারণ লক্ষণগুলো হলো:
শিশুদের লিভারের রোগ বিভিন্ন কারণে হতে
পারে। কিছু ক্ষেত্রে এটি সংক্রমণের কারণে হয়, আবার কিছু ক্ষেত্রে জন্মগত সমস্যা বা পুষ্টির অভাবও কারণ হতে
পারে। শিশুদের লিভারের রোগের সাধারণ কারণগুলো হলো:
ভাইরাস সংক্রমণ: হেপাটাইটিস A, B, E, CMV বা EBV ভাইরাস লিভারে সংক্রমণ ঘটিয়ে প্রদাহ ও
লিভারের কার্যকারিতা কমিয়ে দিতে পারে।
জন্মগত বা জেনেটিক সমস্যা: বিলিয়ারি অ্যাট্রেসিয়া, উইলসন ডিজিজ বা গ্যালাকটোসেমিয়ার মতো
জন্মগত ও জেনেটিক সমস্যার কারণে শিশুদের লিভার ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
পুষ্টির সমস্যা: অপুষ্টি বা অনিয়মিত খাবারের কারণে লিভারের সমস্যা দেখা দিতে পারে।
স্থূলতা ও ফ্যাটি লিভার: অতিরিক্ত ওজন ও অস্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রার কারণে শিশুদের মধ্যে
non-alcoholic fatty liver disease (NAFLD) দেখা দিতে পারে।
ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া: কিছু ওষুধ দীর্ঘদিন ব্যবহার করলে লিভারের উপর ক্ষতিকর প্রভাব
পড়ে এবং লিভারের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হতে পারে।
অটোইমিউন কন্ডিশন: Autoimmune hepatitis হলে শরীরের প্রতিরোধ ব্যবস্থা ভুল করে লিভারের কোষকে
আক্রমণ করে এবং প্রদাহ সৃষ্টি করে।
সতর্কতা: যদি শিশুর চোখ বা ত্বক হলুদ হয়ে যায় (জন্ডিস), পেটে ব্যথা হয়, প্রস্রাব গাঢ় রঙের
হয়, অস্বাভাবিক ক্লান্তি দেখা দেয় বা শরীরে চুলকানি হয়, তাহলে দেরি না করে একজন
পেডিয়াট্রিক গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্টের
পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
শিশুদের লিভারের সাধারণ রোগ সমূহ
শিশুদের মধ্যে কয়েক ধরনের লিভারের রোগ তুলনামূলক বেশি দেখা যায়। কিছু রোগ জন্মগত, আবার কিছু সংক্রমণ,
খাদ্যাভ্যাস বা জীবনযাত্রার কারণে তৈরি হয়। এসব রোগ সময়মতো শনাক্ত করা গেলে চিকিৎসা সহজ হয় এবং জটিলতার ঝুঁকি
কমে।
১
নবজাতকের লিভারের প্রদাহ (Neonatal Hepatitis)
নবজাতকের লিভারে প্রদাহ হলে তাকে neonatal hepatitis বলা হয়। এতে শিশুর জন্ডিস, ক্ষুধামন্দা ও পেট ফোলার মতো
সমস্যা দেখা দিতে পারে। সময়মতো চিকিৎসা না হলে লিভারের কার্যকারিতা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
২
পিত্তনালীর জন্মগত সমস্যা (Biliary Atresia)
এটি একটি জন্মগত সমস্যা যেখানে পিত্তনালী সঠিকভাবে তৈরি হয় না বা কাজ করে না। ফলে লিভার থেকে পিত্ত বের হতে
পারে না এবং লিভারে ক্ষতি হতে শুরু করে। দ্রুত শনাক্ত করে চিকিৎসা শুরু করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
বর্তমানে শিশুদের মধ্যেও ফ্যাটি লিভারের সমস্যা বাড়ছে। অতিরিক্ত ওজন, জাঙ্ক ফুড ও অস্বাস্থ্যকর খাবার এর প্রধান
কারণ হতে পারে। এতে লিভারে অতিরিক্ত চর্বি জমে লিভারের স্বাভাবিক কাজ ব্যাহত হয়।
৪
ভাইরাসজনিত লিভারের সংক্রমণ (Viral Hepatitis)
হেপাটাইটিস A, B বা অন্যান্য ভাইরাসের সংক্রমণে লিভারে প্রদাহ হতে পারে। এতে জন্ডিস, দুর্বলতা ও ক্ষুধামন্দা
দেখা দিতে পারে। সঠিক চিকিৎসা ও যত্ন নিলে অনেক ক্ষেত্রে শিশু সুস্থ হয়ে উঠতে পারে।
শিশুর লিভার সমস্যায় কখন ডাক্তারের পরামর্শ নিবেন?
শিশুর লিভারের সমস্যার কিছু লক্ষণ দেখা গেলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। এই ধরনের লক্ষণ দেখা গেলে
দেরি না করে চিকিৎসকের কাছে যাওয়া জরুরি। যেমন:
শিশুর চোখ বা ত্বক হলুদ হয়ে গেলে
পেট অস্বাভাবিকভাবে ফুলে গেলে
দীর্ঘদিন ক্ষুধামন্দা থাকলে
শিশুর ওজন ঠিকমতো না বাড়লে
বারবার বমি হলে
শিশুদের লিভারের রোগের চিকিৎসা
শিশুদের লিভারের রোগের চিকিৎসা মূলত রোগের
কারণের উপর নির্ভর করে। সঠিক চিকিৎসার জন্য সাধারণত কিছু পরীক্ষা করা হয়। যেমন:
রক্ত পরীক্ষা
লিভার ফাংশন টেস্ট
আল্ট্রাসনোগ্রাম
প্রয়োজনে বিশেষ পরীক্ষা
অনেক ক্ষেত্রে দ্রুত চিকিৎসা শুরু করলে শিশু সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠতে পারে। চিকিৎসার অংশ হিসেবে ডাক্তাররা
সাধারণত নিচের বিষয়গুলো গুরুত্ব দেন:
সঠিক ওষুধ
পুষ্টিকর খাদ্য
নিয়মিত ফলো-আপ
প্রয়োজনে বিশেষ চিকিৎসা
নোট: যদি লিভারের সমস্যা গুরুতর হয়, যেমন বিলিয়ারি অ্যাট্রেসিয়া বা
অন্যান্য জটিল রোগ, তাহলে বিশেষ চিকিৎসা বা সার্জারির প্রয়োজন হতে পারে। তাই শিশুর মধ্যে লিভারের সমস্যার লক্ষণ
দেখা দিলে দেরি না করে একজন অভিজ্ঞ
পেডিয়াট্রিক গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্টের পরামর্শ নেওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
শিশুদের লিভারের রোগের চিকিৎসায় ডা. সালাহউদ্দিন মাহমুদ এর পরামর্শ নিন
যদি আপনার শিশুর মধ্যে লিভারের সমস্যার কোনো লক্ষণ দেখা যায়, তাহলে দেরি না করে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ
নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। অধ্যাপক ডা. সালাহউদ্দিন মাহমুদ ঢাকার একজন অভিজ্ঞ
নবজাতক ও শিশু বিশেষজ্ঞ এবং
পেডিয়াট্রিক গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট।
শিশুদের লিভার, হজম এবং পুষ্টিজনিত বিভিন্ন জটিল সমস্যার নির্ণয় ও চিকিৎসায় তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। আপনার
শিশুর নিরাপদ চিকিৎসা ও সঠিক পরামর্শের জন্য অধ্যাপক ডা. সালাহউদ্দিন মাহমুদ-এর পরামর্শ নিন।
নবজাতক ও শিশু বিশেষজ্ঞ (Pediatric Specialist)
পেডিয়াট্রিক গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট
শিশুদের লিভার, হজম ও পুষ্টি সমস্যার বিশেষজ্ঞ
২৩ বছরের বেশি চিকিৎসা অভিজ্ঞতা
জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃত চিকিৎসক
শিশুদের জটিল লিভার ও গ্যাস্ট্রো রোগের চিকিৎসায় দক্ষ
শিশুদের লিভার সুস্থ রাখতে কিছু সহজ কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ অভ্যাস মেনে চলা দরকার। সঠিক যত্ন ও স্বাস্থ্যকর
জীবনযাপন অনেক ক্ষেত্রে লিভারের রোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।
পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করুন: শিশুদের নিয়মিত সুষম ও স্বাস্থ্যকর খাবার দিন। অতিরিক্ত জাঙ্ক
ফুড ও চিনিযুক্ত খাবার কমানো ভালো।
পরিষ্কার পানি ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ বজায় রাখুন: পরিষ্কার পানি পান করা এবং খাবারের
পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা ভাইরাল সংক্রমণের ঝুঁকি কমায়।
টিকাদান সম্পূর্ণ করুন: হেপাটাইটিসসহ বিভিন্ন সংক্রমণ প্রতিরোধে শিশুদের নির্ধারিত টিকা
সময়মতো দেওয়া জরুরি।
অপ্রয়োজনীয় ওষুধ এড়িয়ে চলুন: চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া শিশুদের কোনো ওষুধ না দেওয়াই
ভালো, কারণ কিছু ওষুধ লিভারের ক্ষতি করতে পারে।
নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করান: শিশুর স্বাস্থ্য ও বৃদ্ধি পর্যবেক্ষণের জন্য নিয়মিত
ডাক্তারের কাছে পরীক্ষা করানো গুরুত্বপূর্ণ।
শিশুকে সক্রিয় রাখুন: নিয়মিত খেলাধুলা ও শারীরিক কার্যকলাপ শিশুদের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে
সাহায্য করে, যা ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি কমায়।
স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলুন: অতিরিক্ত তেল, ফাস্ট ফুড ও প্রক্রিয়াজাত খাবার কমিয়ে
ফল, সবজি ও ঘরে তৈরি খাবার বেশি দিন।
সংক্রমণ থেকে সুরক্ষা দিন: শিশুদের হাত ধোয়ার অভ্যাস শেখান এবং বাইরে থেকে এসে
পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকার অভ্যাস গড়ে তুলুন।
শিশুদের লিভার সুস্থ রাখতে যেসব খাবার উপকারী
সঠিক খাদ্যাভ্যাস শিশুদের লিভার সুস্থ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পুষ্টিকর খাবার লিভারের কার্যকারিতা
ঠিক রাখতে সাহায্য করে এবং বিভিন্ন লিভার রোগের ঝুঁকি কমাতে পারে। অন্যদিকে অতিরিক্ত তেলযুক্ত খাবার, ফাস্ট ফুড
এবং বেশি চিনিযুক্ত খাবার শিশুদের লিভারের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। শিশুদের জন্য উপকারী কিছু খাবার হলো:
শিশুদের লিভারের রোগ হলে সাধারণত চোখ ও ত্বক হলুদ হয়ে যায় (জন্ডিস), পেট ফুলে যায়, ক্ষুধামন্দা
দেখা দেয়, বমি হতে পারে এবং শিশু অস্বাভাবিক দুর্বল হয়ে পড়ে। এসব লক্ষণ দীর্ঘদিন থাকলে চিকিৎসকের
পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
লিভার ঠিকমতো কাজ না করলে শিশুর হজমে সমস্যা হয়, শরীরে বিষাক্ত পদার্থ জমে যেতে পারে এবং জন্ডিস বা
পেট ফোলার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। এতে শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হতে পারে।
ভাইরাস সংক্রমণ, জন্মগত সমস্যা, অপুষ্টি, ফ্যাটি লিভার, কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া অথবা জেনেটিক
রোগের কারণে শিশুদের লিভারের সমস্যা হতে পারে।
অনেক ক্ষেত্রে সঠিক সময়ে চিকিৎসা শুরু করলে শিশু সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠতে পারে। এজন্য দ্রুত রোগ
শনাক্ত করা এবং নিয়মিত চিকিৎসা নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
হ্যাঁ, অনেক ক্ষেত্রে জন্ডিস লিভারের সমস্যার একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ হতে পারে। যদি জন্ডিস দীর্ঘদিন
থাকে বা অন্য উপসর্গ দেখা যায়, তাহলে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
সাধারণত রক্ত পরীক্ষা, লিভার ফাংশন টেস্ট, আল্ট্রাসনোগ্রাম এবং প্রয়োজনে অন্যান্য বিশেষ পরীক্ষার
মাধ্যমে লিভারের রোগ নির্ণয় করা হয়।
চিকিৎসা মূলত রোগের কারণের উপর নির্ভর করে। ডাক্তার প্রয়োজন অনুযায়ী ওষুধ, পুষ্টিকর খাদ্য, নিয়মিত
পর্যবেক্ষণ এবং বিশেষ চিকিৎসা পদ্ধতি পরামর্শ দিতে পারেন।
হ্যাঁ, বর্তমানে কিছু শিশুদের মধ্যে ফ্যাটি লিভারের সমস্যা দেখা যাচ্ছে। অতিরিক্ত ওজন, অস্বাস্থ্যকর
খাবার এবং কম শারীরিক কার্যকলাপ এর অন্যতম কারণ হতে পারে।
শিশুকে পুষ্টিকর খাবার দেওয়া, পরিষ্কার খাবার ও পানি নিশ্চিত করা, নিয়মিত টিকাদান এবং অপ্রয়োজনীয়
ওষুধ এড়িয়ে চলা লিভার সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।
যদি শিশুর চোখ বা ত্বক হলুদ হয়ে যায়, পেট ফুলে যায়, ক্ষুধামন্দা বা বারবার বমি হয়, তাহলে দেরি না
করে একজন শিশু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
সতর্কতাঃ
ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্যসমূহ শুধুমাত্র সচেতনতা ও শিক্ষামূলক উদ্দেশ্যে প্রকাশিত। এটি কোনোভাবেই চিকিৎসা পরামর্শের বিকল্প নয়। চিকিৎসা সংক্রান্ত যেকোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে অবশ্যই একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণ করুন।
দক্ষ শিশু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ চান?
শিশুর সঠিক চিকিৎসার জন্য আজই ডা. সালাহউদ্দিন মাহমুদ-এ যোগাযোগ করুন।