শিশুর অসুস্থতা মানেই বাবা-মায়ের মনে অজানা আতঙ্ক। হঠাৎ করে বারবার
পাতলা পায়খানা, বমি আর জ্বরে যখন শিশুটি নিস্তেজ হয়ে পড়ে, তখন
অনেকেই বুঝে উঠতে পারেন না—এটি সাধারণ পেট খারাপ নাকি কোনো গুরুতর
সংক্রমণ। বাস্তবতা হলো, এসব উপসর্গের পেছনে প্রায়ই লুকিয়ে থাকে
শিশুদের রোটা ভাইরাস, যা দ্রুত শিশুর শরীর থেকে পানি
ও লবণ শুষে নেয়।
রোটা ভাইরাস কোনো বিরল রোগ নয়; বরং ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের
ডায়রিয়ার অন্যতম প্রধান কারণ। বিশেষ করে বাংলাদেশে, যেখানে আবহাওয়া,
স্যানিটেশন ও জনঘনত্বের কারণে ভাইরাসটি সহজেই ছড়িয়ে পড়ে। অনেক সময়
অভিভাবকেরা বিষয়টিকে হালকাভাবে নেন, কিন্তু দেরি হলে এই ভাইরাস
মারাত্মক পানিশূন্যতা তৈরি করে শিশুর জীবনের জন্য ঝুঁকি হয়ে
দাঁড়াতে পারে।
তবে আশার কথা হলো—সঠিক তথ্য, সময়মতো চিকিৎসা এবং প্রতিরোধমূলক
ব্যবস্থা নিলে রোটা ভাইরাস পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। এই ব্লগে
আমরা শিশুদের রোটা ভাইরাস সম্পর্কে বিস্তারিত জানব—এর লক্ষণ, কারণ,
চিকিৎসা, টিকা এবং কীভাবে আপনার শিশুকে নিরাপদ রাখা যায়। সচেতন
অভিভাবকই পারে শিশুর প্রথম ঢাল হয়ে উঠতে।
রোটা ভাইরাস
হলো অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাস, যা মূলত শিশুদের অন্ত্রের ভেতরে সংক্রমণ
ঘটায়। এর ফলে অন্ত্রে পানি শোষণের ক্ষমতা কমে যায় এবং
শিশুর তীব্র ডায়রিয়া শুরু হয়।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)
অনুযায়ী, ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের মধ্যে ভাইরাসজনিত ডায়রিয়ার
প্রধান কারণগুলোর একটি হলো রোটা ভাইরাস।
রোটা ভাইরাসের বৈশিষ্ট্য
এটি খুব সহজে ছড়ায়
সাধারণ সাবান বা জীবাণুনাশকে সহজে নষ্ট হয় না
শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকায় তারা বেশি আক্রান্ত হয়
একবার আক্রান্ত হলেও আবার সংক্রমণ হতে পারে
কোন শিশুদের রোটা ভাইরাসে
আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি?
বাংলাদেশের সব শিশুই রোটা ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারে, তবে কিছু
ক্ষেত্রে ঝুঁকি বেশি। তবে নিম্নোক্ত শ্রেণির আক্রান্তের হার
উল্লেখজনকভাবে বেশি।
৬ মাস থেকে ২ বছর বয়সী শিশু
যেসব শিশু ডে-কেয়ার বা প্লে-স্কুলে যায়
অপুষ্টিতে ভোগা শিশু
যেসব এলাকায় বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা দুর্বল
টিকা না নেওয়া শিশু
শিশুদের রোটা ভাইরাস নিয়ে উদ্বিগ্ন?
অভিজ্ঞ শিশুরোগ বিশেষজ্ঞের সঙ্গে এখনই যোগাযোগ করুন!
আপনার শিশুর জন্য করণীয় এবং সঠিক চিকিৎসা জানতে দেশের শিশুরোগ
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিন।
রোটা ভাইরাসে আক্রান্ত হলে সাধারণত ১–৩ দিনের মধ্যে লক্ষণ দেখা দেয়।
লক্ষণগুলো ধাপে ধাপে গুরুতর হতে পারে। এই লক্ষণগুলো দেখা গেলে দেরি না
করে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া খুবই জরুরি।
সাধারণ লক্ষণ
দিনে বারবার পাতলা পায়খানা
পানির মতো ডায়রিয়া
বমি বমি ভাব ও বমি
মাঝারি বা বেশি জ্বর
পেট ব্যথা
খাওয়ায় অনীহা
পানিশূন্যতার লক্ষণ (অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ)
চোখ বসে যাওয়া
মুখ ও জিহ্বা শুকিয়ে যাওয়া
প্রস্রাব কম হওয়া
কান্নার সময় চোখে পানি না আসা
শিশুর নিস্তেজ বা ঘুম ঘুম ভাব
রোটা ভাইরাস কীভাবে ছড়ায়?
প্রধান মাধ্যমসমূহ
রোটা ভাইরাস অত্যন্ত সংক্রামক এবং খুব সহজে ছড়িয়ে পড়ে। রোটা ভাইরাস
দীর্ঘসময় প্রতিকূল পরিবেশেও বেঁচে থাকতে পারে, তাই
পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অত্যন্ত জরুরি।
সংক্রমণের প্রধান মাধ্যম
আক্রান্ত শিশুর মল থেকে
অপরিষ্কার হাত
দূষিত খাবার ও পানি
খেলনা, বাসন, দরজার হাতল
টয়লেট ব্যবহারের পর হাত না ধোয়া
রোটা ভাইরাস কি বিপজ্জনক?
হ্যাঁ, চিকিৎসা না পেলে রোটা ভাইরাস অত্যন্ত বিপজ্জনক হতে পারে। এই
ভাইরাসে শিশুর মৃত্যু সাধারণত ডায়রিয়ার কারণে নয়, বরং
পানিশূন্যতার কারণে ঘটে। বিশেষ করে নিম্নোক্ত শিশুদের ক্ষেত্রে
ঝুঁকি আরও বেশি।
নবজাতক
কম ওজনের শিশু
অপুষ্ট শিশু
শিশুদের রোটা ভাইরাসের চিকিৎসা
রোটা ভাইরাস একটি ভাইরাসজনিত রোগ, তাই এর জন্য কোনো নির্দিষ্ট
অ্যান্টিবায়োটিক নেই। চিকিৎসার মূল লক্ষ্য হলো শিশুর শরীরে পানির
ঘাটতি পূরণ করা এবং জটিলতা প্রতিরোধ করা। নিজে নিজে অ্যান্টিবায়োটিক
বা আন্দাজে ওষুধ দেওয়া অত্যন্ত বিপজ্জনক। অবশ্যই বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের
পরামর্শ অনুযায়ী ট্রিটমেন্ট করতে হবে।
প্রাথমিক চিকিৎসা
বারবার ওআরএস (ORS) স্যালাইন খাওয়ানো
বুকের দুধ চালু রাখা
হালকা ও সহজপাচ্য খাবার দেওয়া
বিশ্রাম নিশ্চিত করা
কখন হাসপাতালে ভর্তি প্রয়োজন?
শিশু কিছুই খেতে বা পান করতে পারছে না
বারবার বমি হচ্ছে
তীব্র পানিশূন্যতা
রক্তযুক্ত ডায়রিয়া
২৪ ঘণ্টার মধ্যে উন্নতি না হলে
রোটা ভাইরাস ভ্যাকসিন: শিশুর
সুরক্ষার সবচেয়ে কার্যকর উপায়
রোটা ভাইরাস প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো
রোটা ভাইরাস টিকা। টিকা নেওয়া শিশুর মধ্যে রোটা ভাইরাস হলেও
রোগের তীব্রতা অনেক কম হয়।
রোটা ভাইরাস টিকা সম্পর্কে তথ্য
এটি মুখে খাওয়ানোর টিকা
সাধারণত ২ বা ৩ ডোজে দেওয়া হয়
বাংলাদেশে জাতীয় টিকাদান কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত
নিরাপদ ও কার্যকর
রোটা ভাইরাস থেকে
শিশুকে রক্ষার প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা
পরিচ্ছন্নতা ও পরিবেশগত কারণে খুব সহজেই রোটা ভাইরাস ডাইরিয়া হতে পারে।
সচেতনতা, দ্রুত পদক্ষেপ এবং সঠিক চিকিৎসাই পারে শিশুর জীবন রক্ষা করতে।
নিয়মিত সাবান দিয়ে হাত ধোয়া
বিশুদ্ধ পানি পান করা
শিশুর খাবার ঢেকে রাখা
খেলনা ও বাসন পরিষ্কার রাখা
সঠিক স্যানিটেশন ব্যবস্থা
সময়মতো টিকা নিশ্চিত করা
শিশুর রোটা ভাইরাস হলে কখন
ডাক্তারের শরণাপন্ন হবেন?
শিশুদের রোটা ভাইরাস অনেক সময় ঘরোয়া যত্ন ও ORS দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা
সম্ভব হলেও, কিছু পরিস্থিতিতে দেরি করা মারাত্মক ঝুঁকির কারণ হতে পারে।
নিচের যেকোনো লক্ষণ দেখা দিলে অবিলম্বে অভিজ্ঞ শিশু বিশেষজ্ঞের
শরণাপন্ন হওয়া জরুরি—
শিশুর বয়স ৬ মাসের কম হলে
বারবার বমির কারণে ORS বা তরল কিছুই খেতে না পারলে
চোখ বসে যাওয়া, মুখ শুকিয়ে যাওয়া বা প্রস্রাব প্রায় বন্ধ হয়ে
গেলে
ডায়রিয়ার সাথে রক্ত দেখা গেলে
শিশুর শরীর অতিরিক্ত নিস্তেজ হয়ে পড়লে বা অচেতন ভাব দেখা দিলে
২৪ ঘণ্টা পার হলেও অবস্থার কোনো উন্নতি না হলে
এই ধরনের জটিল পরিস্থিতিতে দ্রুত ও সঠিক চিকিৎসাই পারে শিশুর জীবন
রক্ষা করতে। শিশু গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজি ও ডায়রিয়াজনিত জটিলতা
ব্যবস্থাপনায় অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশে
শিশুদের ডায়রিয়া, রোটা
ভাইরাস সংক্রমণ ও পানিশূন্যতা ব্যবস্থাপনায় সুপরিচিত বিশেষজ্ঞদের
অন্যতম হলেন ডাক্তার সালাহ উদ্দিন। তিনি
বাংলাদেশের সেরা শিশু বিশেষজ্ঞদের মধ্যে অন্যতম। ২০০২
সাল থেকে
শিশুদের পরিপাকতন্ত্রজনিত রোগ
এর চিকিৎসায় দক্ষতার সাথে কাজ করে আসছেন এবং অভিভাবকদের আস্থার প্রতীক
হিসেবে পরিচিত। অদ্যবধি ৫ লাখ+ শিশুকে সফলতার সাথে ট্রিটমেন্ট
করেছেন।
ডাক্তার সালাহ উদ্দিনের পরামর্শ পেতে কল করুন09666-787806।
সচেতনতার মাধ্যমেই
শিশুর রোটা ডাইরিয়া প্রতিরোধ সম্ভব
শিশুদের রোটা ভাইরাস একটি সাধারণ কিন্তু সম্ভাব্য
মারাত্মক রোগ। তবে ভয়ের কিছু নাই, সঠিক তথ্য, সময়মতো চিকিৎসা ও টিকার
মাধ্যমে এই রোগ থেকে শিশুদের নিরাপদ রাখা সম্ভব। একজন সচেতন অভিভাবক
হিসেবে আপনার ছোট একটি সিদ্ধান্তই আপনার শিশুর বড় বিপদ ঠেকাতে পারে।
শিশু সুস্থ থাকলেই পরিবার সুখী—আজই সচেতন হোন, অন্যকেও জানান।
রোটা ভাইরাস একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাস, যা শিশুদের
অন্ত্রে সংক্রমণ ঘটিয়ে তীব্র ডায়রিয়া ও বমির কারণ হয়।
এটি সাধারণত ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের বেশি আক্রান্ত করে।
সংক্রমণের ফলে শরীর দ্রুত পানি ও লবণ হারায়। তাই সময়মতো
চিকিৎসা না করলে পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে।
রোটা ভাইরাসে আক্রান্ত হলে বারবার পাতলা পায়খানা, বমি, জ্বর
ও পেট ব্যথা দেখা যায়। অনেক সময় শিশু খাওয়া বন্ধ করে দেয়
এবং দুর্বল হয়ে পড়ে। গুরুতর ক্ষেত্রে চোখ বসে যাওয়া বা
প্রস্রাব কম হওয়া পানিশূন্যতার লক্ষণ হতে পারে। এসব লক্ষণ
দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
রোটা ভাইরাস মূলত আক্রান্ত শিশুর মলের মাধ্যমে ছড়ায়।
অপরিষ্কার হাত, দূষিত পানি, খাবার বা খেলনার মাধ্যমে ভাইরাস
সহজেই অন্য শিশুর শরীরে প্রবেশ করতে পারে। টয়লেট ব্যবহারের
পর হাত না ধুলে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। তাই
পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
হ্যাঁ, চিকিৎসা না করলে রোটা ভাইরাস বিপজ্জনক হতে পারে। এই
রোগে শিশুর মৃত্যু সাধারণত ডায়রিয়ার কারণে নয়, বরং তীব্র
পানিশূন্যতার কারণে ঘটে। বিশেষ করে নবজাতক ও অপুষ্ট শিশুদের
ক্ষেত্রে ঝুঁকি বেশি। তাই লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে
চিকিৎসা নেওয়া উচিত।
রোটা ভাইরাস ভাইরাসজনিত রোগ হওয়ায় সাধারণত
অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োজন হয় না। চিকিৎসার মূল লক্ষ্য হলো
শরীরের পানিশূন্যতা দূর করা। এজন্য ORS স্যালাইন, বুকের দুধ
ও তরল খাবার দেওয়া হয়। গুরুতর হলে হাসপাতালে স্যালাইন
দেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে।
রোটা ভাইরাসে আক্রান্ত শিশুকে বারবার ORS, বুকের দুধ ও
সহজপাচ্য খাবার দেওয়া উচিত। ভাত, খিচুড়ি, কলা বা স্যুপ
ভালো বিকল্প হতে পারে। অতিরিক্ত তেলযুক্ত বা মশলাযুক্ত খাবার
এড়ানো ভালো। শিশুকে অল্প অল্প করে বারবার খাওয়ানো সবচেয়ে
কার্যকর।
রোটা ভাইরাস টিকা নিরাপদ এবং বিশ্বব্যাপী কার্যকর হিসেবে
স্বীকৃত। এটি মুখে খাওয়ানোর মাধ্যমে দেওয়া হয় এবং শিশুকে
গুরুতর ডায়রিয়া থেকে সুরক্ষা দেয়। টিকা নেওয়া থাকলে
সংক্রমণ হলেও রোগের তীব্রতা কম হয়। তাই নির্ধারিত সময়ে
টিকা নেওয়া জরুরি।
সাধারণত রোটা ভাইরাসের উপসর্গ ৩ থেকে ৭ দিন পর্যন্ত থাকতে
পারে। প্রথম কয়েক দিন বমি ও ডায়রিয়া বেশি হয়, পরে ধীরে
ধীরে কমে যায়। তবে এই সময় শিশুর শরীরে পানির ঘাটতি যেন না
হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। অবস্থার উন্নতি না হলে
ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
শিশু কিছু খেতে বা পান করতে না পারলে, বারবার বমি হলে বা
প্রস্রাব কমে গেলে দ্রুত ডাক্তারের কাছে যেতে হবে।
ডায়রিয়ার সাথে রক্ত দেখা গেলে বা শিশু অতিরিক্ত নিস্তেজ
হয়ে পড়লেও দেরি করা ঠিক নয়। ২৪ ঘণ্টায় উন্নতি না হলে
চিকিৎসা নেওয়া জরুরি।
নিয়মিত সাবান দিয়ে হাত ধোয়া, বিশুদ্ধ পানি ব্যবহার এবং
শিশুর খাবার পরিষ্কার রাখা রোটা ভাইরাস প্রতিরোধে
গুরুত্বপূর্ণ। খেলনা ও ব্যবহৃত জিনিস পরিষ্কার রাখা উচিত।
সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো সময়মতো রোটা ভাইরাস টিকা নিশ্চিত
করা। সচেতনতা শিশুকে নিরাপদ রাখতে সাহায্য করে।
শিশুদের রোটা ভাইরাস বিশেষজ্ঞ ডা. সালাহউদ্দিন মাহমুদ এর পরামর্শ নিন
বারবার পাতলা পায়খানা, বমি বা জ্বর দেখা দিলে দেরি না করে অভিজ্ঞ
শিশুরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।
Get safe and effective child constipation treatment in Bangladesh. We provide diet guidance, toilet training support, and effective medical care. Consult now!
Expert child abdominal migraine treatment in Bangladesh by Dr. Salahuddin Mahmud. Safe care for kids with recurrent abdominal pain. Call for an appointment!